বুধবার , ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আর্ন্তজাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জাতীয়
  10. ধর্ম
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. মতামত

রায়পুর ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানায় কাউন্সিল বাহার ও আরিফ গ্রেফতার।

প্রতিবেদক
দেশ জার্নাল
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১ ৭:৫২ অপরাহ্ণ
Desh Journal

 

সোহেল আলম

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দিনমজুর মো. ইউসুফ ও তার স্ত্রীকে মারধর মামলায় পৌরসভার কাউন্সিলরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

পরে আদালতে হাজির হওয়ার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হলে বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কাউন্সিল বাহার ও আরিফকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের (রায়পুর) বিচারক তারেক আজিজ তাদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

ওয়ারেন্টপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রায়পুর পৌরসভার ৪ নাম্বার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও উপজেলা জাতীয়পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাহার, দেনায়েতপুর এলাকার আরিফ হোসেন, রাজিব হোসেন, মো. মানিক ও আবদুল লতিফ।

বাদীর আইনজীবি আনোয়ার হোসেন মৃধা বলেন, প্রাথমিকভাবে আদালত মামলার সত্যতা পেয়েছে। এতে আদালতের বিচারক ওই ৫ আসামির গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আগামি ৩০ নভেম্বর তাদেরকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। এছাড়া মামলার ৬ নাম্বার আসামি মো. দুলালকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।

এজাহার সূত্র জানায়, ইউসুফের সঙ্গে অভিযুক্তদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অভিযুক্ত আরিফ, রাজিব, মানিক ও লতিফ তাকে (ইউসুফ) মারধর করে। এসময় ইউসুফকে বাঁচাতে গেলে তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পথে মামলার দ্বিতীয় আসামি কাউন্সিলর বাহার তাদের গতিরোধ করে। গালমন্দ করার অভিযোগ এনে বাহার তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে৷ এতে ইউসুফের ডান চোখে জখম হয়। এতে ইউসুফ বাদী হয়ে আদালতে ৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী দিনমজুর মো. ইউসুফ বলেন, কাউন্সিল বাহার অন্য আসামিদের আস্থাভাজন হয়। এজন্য হাসপাতাল যাওয়ার পথে দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর আমাকে মারধর করে।

বাদী ইউসুফের বাড়ীর লোকজন বলেন, ইউসুফ উগ্রমেজাজী ও অসৎ প্রকৃতির লোক। সে মামলা বাজ ও ধান্ধাবাজ।

গ্রেফতারকৃত আরিফের মা বলেন, সালিসে বসে বাদী ইউসুফ হেরে গিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বাহার বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটি সত্য নয়। সালিসে তাদের ঘটনাটি মীমাংসা করে দিয়েছি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

দেশ জার্নাল / এসএ

আপনার মন্তব্য লিখুন

সর্বশেষ - আইন-আদালত