রায়পুরে জাল সনদে ৭ বছর স্কুলে চাকুরি !

325

নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাল সনদে দীর্ঘ ৭ বছর চাকুরীর করার পর অবশেষে ধরা পড়েছেন মোঃ মিজানুর রহমান। মধ্য কেরোয়া গ্রামের নজির আহাম্মদের পুত্র মিজানুর রহমান লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মধ্য কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরি। কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে জানিয়ে দিয়েছেন তার সনদটি জাল। জাল সনদে চাকুরীর করার অপরাধে ওই নৈশ প্রহরির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে শিক্ষকরা জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নৈশ প্রহরী মিজানুর রহমান ২০১২ সালের মার্চ মাসে ৮ হাজার টাকার বেতন-স্কেলে মধ্য কেরোয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক যোগদান করেন। যোগদানের পূর্বে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরির জন্য যখন আবেদন করেন তখন সেখানে জাল নিবন্ধন সনদ জমা দেন তিনি। অথচ কখনই ৮ম শ্রেণী পাশ করেন নি মিজানুর রহমান।

এদিকে দীর্ঘ সময় চাকুরিরত থাকার পর সম্প্রতি তার সনদ নিয়ে প্রশ্ন উঠে। তার স্বজন ও গ্রামবাসী মিজানুর রহমানের জাল সনদ বলে সন্দেহ করেন। অবশেষে উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে তার সনদ যাচাই করতে পাঠানো হয়। সেখানে ধরা পড়ে তার ওই সনদপত্রটি জাল।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আর এর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক-সফিক আহাম্মেদ জানান, মিজানুর রহমানের জাল সনদের বিষয়ে কিছুই জানিনা। সনদ নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠেছে, সেটি যাচাই বাছাই করে দেখবো।

এ ব্যাপারে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরি মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে ঘটনাটি মিথ্যা বলে দাবি করেন। কে অভিযোগ করেছেন তার নাম জানতে চান।

মধ্য কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন জানান, ২০১২ সালের মার্চ মাসে ৮ হাজার টাকার বেতনে নিয়োগ পান দপ্তরী কাম-নৈশ প্রহরী মিজানুর রহমান। তাকে তখন নিয়োগ দিয়েছিলেন সাবেক নিয়োগ কমিটি। জন্ম নিবন্ধন ও শিক্ষা সনদ জাল এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জালের বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।।

রায়পুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে এম মোস্তাক আহাম্মদবলেন,, দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী মিজানুর রহমানের শিক্ষাগত সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স জাল সনদের বিষয়ে কিছুই জানিনা। এবিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।

 

আর/জে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here