বৃহস্পতিবার , ২ ডিসেম্বর ২০২১ | ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অন্যান্য
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আর্ন্তজাতিক
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জাতীয়
  10. ধর্ম
  11. নারী ও শিশু
  12. প্রবাস
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. মতামত

করোনায় চাকরি হারিয়ে সফল উদ্যোক্তা হলেন নাঈম

প্রতিবেদক
দেশ জার্নাল
ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ
Desh Journal

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মহামারি করোনাভাইরাস পুরো পৃথিবীকেই ওলটপালট করে দিয়েছে। কেউ যা ভাবতে পারেনি, গত এক বছরে বিশ্বে তাই হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে একের পর এক লকডাউন দিতে বাধ্য হয়েছে বিভিন্ন দেশ। এর ব্যতিক্রম হয়নি বাংলাদেশেও। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। টানা লকডাউনে বন্ধ হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মানুষের আয়-রোজগারের পথ। বেকার হতে হয়েছে বহু মানুষকে। বেঁচে থাকা নিয়ে চিন্তায় মানুষের ঘুম হারাম।

তবে এমন অব্স্থার মধ্যেও বেঁচে থাকার সংগ্রামে সফল হয়েছেন অনেকে। বেকারত্বের অভিশাপ মোচনে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, হয়েছেন উদ্যোক্তা। শুধু নিজেরই নয়, অন্যদেরও বাঁচার পথ দেখিয়েছেন।

নাঈমুর রহমান একজন মাদরাসার ছাত্র, এবং তরুণ উদ্যোক্তা সে একটা প্রাইভেট মাদরাসায় চাকরী করছিলো করোনার কারণে তার চাকরি টাও চলে যায় তারপর থেকে সে অনলাই ভিত্তিক বিভিন্ন রকম ব্যবসা বাণিজ্য করে নিজের খরচ চালাচ্ছে এবং পরিবারকে ও সহযোগীতা করে আসছে, সে বিভিন্ন মৌসুমি ফল কিংবা নদীর বিভিন্ন প্রকার মাছ নিয়ে কাজ করে  সমাজের সকল স্তরের মানুষের সাড়া পাচ্ছে, তার ইচ্ছা সে একজন সফল ব্যবসায়ী হবে, এবং তার মত যুবকদের কর্ম ক্ষেত তৈরী করে দিবে,

তিনি বলেন, আমর ব্যবসা মূলত অনলাইনভিত্তিক। ৩ মাস হলো ব্যবসা করছি। সিজনিং ফল,অর্গানিক খাবার,নদীর তাজা মাছ ,চাঁদপুরের আরজিনাল ইলিশ সহ নদীর নানা প্রজাতির মাছ বিক্রি করি। এগুলো প্রথমে বাজার থেকে কিনে আনি, এরপর অনলাইনের ওয়ার্ডার আনুযায়ী পাঠিয়ে দেয়।

কেমন সাড়া পাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। গুণগতমান ঠিক রাখি ও কোন প্রকার ফরমালিন  মেশাই না।

নাঈম আরো বলেন, ৩, মাস হলো ব্যবসা করছি। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করলেও এখন প্রতি মাসে ত্রিশ  থেকে চল্লিশ হাজর টাকার মতো বিক্রি করছি। এ থেকে যে আয় হয় তাতে চাকরির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। চাকরি না করে আরও আগে এ ব্যবসা করতে পারলে বেশি লাভবান হতাম। চলতি মাসেও আমি ১০০ কেজি মাস বিক্রি করেছি।

তিনি আরও বলেন, Naim Bin Johir Official নামে একটি ফেসবুক পেইজ আছে আমার। এ পেইজের মাধ্যমেই মূলত আমার বিক্রি। এছাড়া পরিচিতদের মাধ্যমেও প্রচুর বিক্রি হয় পণ্যগুলো।

দেশ জার্নাল/এস.এম

আপনার মন্তব্য লিখুন

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত